কমিউনিটি ইনিশিয়েটিভ সোসাইটি (সিআইএস) এবং এশিয়া প্যাসিফিক অ্যালায়েন্স ফর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (এ-প্যাড) যৌথভাবে আজ মঙ্গলবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনশীল বিশ্বে স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলার লক্ষে ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করেছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শীর্ষস্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর মধ্যে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে সিআইএস এবং এ-প্যাড, যারা যৌথভাবে এই অঞ্চলে মাল্টি সেক্টোরাল প্লাটফর্মগুলোকে সংঘবদ্ধ করার কাজ করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত তাকাহাশি নাওকি এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি এ-প্যাড বাংলাদেশ এবং সিআইএস কর্তৃক আয়োজিত সামগ্রিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতামূলক অবদান এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং দুর্যোগ প্রবণ অঞ্চল এ স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলার লক্ষে আলোচনা করেন তিনি।
সিআইএস-এর নির্বাহী পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফার স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম শুরু হয়।
এশিয়া প্যাসিফিক অ্যালায়েন্স ফর ডিজাস্টার দক্ষিণ-এশিয়া অঞ্চলের সিনিয়র উপদেষ্টা নবুতাকা মিয়াহারা এ-প্যাড-এর সামগ্রিক কার্যক্রমের একটি বর্ণনা তুলে ধরেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডা. মো. জিল্লুর রহমান দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সামগ্রিক অবদান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতি সম্পর্কে আলোচনা করেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আব্দুল ওয়াদুদ দুর্যোগের সময় ও পরবর্তী পর্যায়ে সংকট নিরসনের জন্য সরকারের বিভিন্ন পলিসিগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
সিআইএস, এ-প্যাড এবং ডিসিএইচটি চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং সংকট নিরসনের জন্য এই সেক্টরে জনগণের ভূমিকা এবং অন্যান্য সেক্টরের সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা করেন।
সম্মেলনে উপস্থিত উল্লেখযোগ্য প্যানেলিস্টরা ছিলেন জেবিসিসিআই নির্বাহী পরিচালক তাহেরা আহসান, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ মহিনুজ্জামান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শামস মনসুর গনি, মুহাম্মদ ফেরদৌস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. তাসনীম আরিফা সিদ্দিকী, জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র রিপ্রেসেন্টেটিভ সজী ইজুমি প্রমুখ।
ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই সিম্পোজিয়াম। অংশগ্রহণকারীরা ইন্টারেক্টিভ ছিল এবং পরিস্থিতির স্থিথিস্থাপকতা গড়ে তোলার লক্ষে সামগ্রিকভাবে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে একটি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।