টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ছন্দ খুঁজে পাওয়ার আশায় ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বিব্রতকর এক পরিস্থিতির মুখোমুখি তারা। সিরিজের প্রথম ম্যাচে অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে এখন সিরিজ হারের শঙ্কায়। আজ শনিবার বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচ শুধু সমতায় ফেরার লড়াই নয়, ঘরের মাঠে মর্যাদা রক্ষার। ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়। সরাসরি সম্প্রচার করবে টিস্পোর্টস ও নাগরিক টিভি।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টানা পাঁচ হার এড়ানোই এখন স্বাগতিকদের মূল লক্ষ্য। অথচ এক সময় এই মাঠ ছিল স্বাগতিকদের দুর্গসম। একই ভেন্যু এখন তাদের হতাশার জায়গা! গত মাসে চট্টগ্রামের এই মাঠেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৩–০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। প্রায় তিন বছর পর ঘরের মাঠে যা ছিল তাদের প্রথম টি–টোয়েন্টি সিরিজ হার।
বৃহস্পতিবার আয়ারল্যান্ডের কাছে ৩৯ রানের হার নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। স্বাগতিকরা যদি ঘুরে দাঁড়াতে না পারে, তাহলে ঘরের মাঠে টানা দ্বিতীয় সিরিজ হারের তিক্ত স্বাদ পেতে হবে।
অথচ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাত্র কয়েক মাস বাকি। এই সময় ছন্দ ফিরে পাওয়ার বদলে টাইগাররা গতি হারাচ্ছে। ঘরের মাঠে সাধারণত বাংলাদেশের সাফল্যের চাবিকাঠি হয়ে থাকা বোলিং আক্রমণ এবার আইরিশ টপ অর্ডারের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে। পল স্টার্লিং, টিম টেক্টর ও হ্যারি টেক্টর শুরু থেকে চড়াও হয়ে স্বাগতিকদের ভুলের সুযোগে স্কোর নিয়ে যান ৪ উইকেটে ১৮১ রানে। জবাবে দ্রুত উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ইনিংস থেমেছে ৯ উইকেটে ১৪২ রানে।
বল হাতে বামহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানই ছিলেন একমাত্র উজ্জ্বল। বাকিরা ছন্দ খুঁজে পাননি। দ্বিতীয় ম্যাচে যদিও শক্ত জবাব দেওয়ার আশায় অধিনায়ক লিটন দাস। ম্যাচ শেষে বলেছিলেন, ‘আমি এখনও আমার দলকে বিশ্বাস করি। নিজেদের ক্রিকেটটা খেলতে পারলে তাদের হারাতে পারবো, তবে দিনটা আমাদের ভালো হতে হবে।’
সিরিজ বাঁচাতে ব্যাটিং অর্ডার ও বোলিংয়ে পরিবর্তন আনতে পারে বাংলাদেশ।