আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম। ঐতিহাসিক সেই মুহূর্তটিকে আরও স্মরণীয় করতে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বুধবার সকালে বিশেষ আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মুশফিকুর রহিমকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ সম্মাননা।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শুরুর আগে শেষ হয় সব আনুষ্ঠানিকতা। মুশফিকের দীর্ঘ পথচলার প্রতি সম্মান জানিয়ে দেওয়া হয় দুটি স্মারক জার্সি। একটি ২০০৫ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে তার সতীর্থদের সই করা, আরেকটি বর্তমান বাংলাদেশ টেস্ট দলের।
তার প্রথম টেস্ট অধিনায়ক হাবিবুল বাশার ও বর্তমান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত যৌথভাবে জার্সি দু’টি তুলে দেন।
হাবিবুল ২০০৫ সালে যে বাগি গ্রিন টেস্ট ক্যাপটি মুশফিককে প্রথম তুলে দিয়েছিলেন, এবার স্মারক ক্যাপটিও তার হাতে তুলে দেন।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw691d538131bfb" ) ); এরপর এগিয়ে আসেন বাংলাদেশের সাবেক টেস্ট ক্রিকেটার আকরাম খান। তিনি মাইলফলকের স্মারক ক্যাপটি সংরক্ষণের জন্য একটি বিশেষ বাক্স উপহার দেন। তার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান ও মুশফিকের দীর্ঘদিনের মেন্টর নাজমুল আবেদীন ফাহিমের কাছ থেকে একটি ক্রেস্ট গ্রহণ করেন মুশফিক।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw691d538131c2b" ) ); অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান। তখন উপস্থিত ছিলেন মুশফিকের অভিষেক টেস্টের সময়কার কয়েকজন সতীর্থ—মোহাম্মদ রফিক, খালেদ মাসুদ পাইলট, নাফিস ইকবাল, আনোয়ার হোসেন মনির, তালহা জুবায়ের, শাহরিয়ার নাফীস ও মোহাম্মদ আশরাফুল। মুশফিকের পরিবারও এ সম্মাননা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ আয়োজনে আবেগঘন কণ্ঠে মুশফিক তার পরিবার, সতীর্থ, কোচ ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান। তার ভাষায়, ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহকে এমন সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমার পরিবারকে ধন্যবাদ, বিশেষ করে আমার স্ত্রীকে, যিনি অসংখ্য নির্ঘুম রাত পার করেছেন। সবচেয়ে বড় কথা, আমার সতীর্থ, কোচ, বন্ধু আর সকল ভক্তদের ধন্যবাদ। আমি বাংলাদেশের জন্য সবসময় শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করবো। আশা করি, উদযাপনের জন্য এই টেস্টটা দারুণ হবে ইনশাআল্লাহ।’
তার পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানান বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, ‘অভিনন্দন। আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য এটা অসাধারণ এক অর্জন। সবার মুখে শোনা যায় আপনার পাগলামি আর কঠোর পরিশ্রমের কথা। তবে আমাদের সবচেয়ে অনুপ্রাণিত করে আপনি কখনও ব্যক্তিগত লক্ষ্যের জন্য নয়, সবসময় দলের জন্য খেলেন।’