ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ নামের অ্যাপটি মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উদ্বোধন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপর থেকেই নাম, ঠিকানা, এনআইডি নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করে তালিকায় নাম ওঠাতে পারবেন প্রবাসীরা।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক আশাদুল হক জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটার, নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, নিজ ভোটার এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন। এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ‘Postal Vote BD’ নামক মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন করা হবে।
জানা গেছে, নিবন্ধনের পর পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য পৃথক ভোটার তালিকা করবে ইসি। সে অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা দেশের ভোটারদের আগেই ব্যালট পেপার নিবন্ধন করা ভোটারের ঠিকানায় ফিরতি খামসহ পাঠিয়ে দেবেন। সেই ভোটার সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতা চূড়ান্ত হলেই ভোট দিয়ে ব্যালট খামে ভরে নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা পোস্টবক্সে জমা দেবেন। এতে ২০ দিনের মতো সময় লাগবে। দেশের ভোটের দিনের আগেই তা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চলে আসবে, যা জমা থাকবে সরকারি কোষাগারে। এরপর তা গণনা করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই প্রসঙ্গে জানান, এতে ভোটার প্রতি ৭০০ টাকার মতো ব্যয় ধরা হয়েছে। পোস্টাল ব্যালটে ভোটের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে গোপনীয়তা রক্ষা করা। যেহেতু সংশ্লিষ্টরা আগেই ভোট দেবেন, তাই গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। অন্যথায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে অ্যাপে নিবন্ধনের সময় সঠিক ঠিকানা ব্যবহার না করলে ব্যালট পৌঁছাতে দেরি হতে পারে। এতে ভোট নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জানা গেছে, ৫০ লাখ ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবে এমন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ইসি। এ জন্য প্রাথমিকভাবে ২০ লাখ ব্যালট পেপার ছাপানো হচ্ছে আর্মি প্রিন্টিং প্রেসে। পরে প্রয়োজন অনুসারে ছাপানো হবে।