কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনকে বেঁধে রেখে পুলিশে দিলো এলাকাবাসী

কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনকে বেঁধে রেখে পুলিশে দিলো এলাকাবাসী

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় এক কিশোরীকে (১৪) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনায় বুধবার রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে বৃহস্পতিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলে- উপজেলার ধিতুয়া গ্রামের পংকজ দে (১৯), চাপুরিয়া গ্রামের রোমান মিয়া (২৩) ও এমরান হোসেন (৩২)। অভিযুক্ত চার জনের মধ্যে চাপুরিয়া গ্রামের আমির হোসেন (২৮) পলাতক।

পুলিশ জানায়, মুক্তাগাছার মানকোন ইউনিয়নের ওই কিশোরী ঢাকায় একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করে। গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসে বাড়ি ফেরার পথে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুক্তাগাছায় নামে। পরে অটোরিকশায় করে পদুরবাড়ী বাজারে নেমে হেঁটে নিজের বাড়ির দিকে যাচ্ছিল। তখন অভিযুক্ত পংকজ দের সঙ্গে তার দেখা যায়। পংকজ তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে একটি অটোরিকশায় তুলে ভিন্ন পথে চাপুরিয়া গ্রামের একটি বাঁশবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে পংকজ ও তার তিন সহযোগী রোমান মিয়া, আমির হোসেন ও এমরান মিলে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে।

ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, পঙ্কজ তার পূর্বপরিচিত হওয়ায় বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বললে রাজি হয়। কিন্তু তাকে তুলে নিয়ে বিভিন্ন স্থান ঘুরিয়ে ধর্ষণ করে ভোরে একটি মাছের খামারের সামনে ফেলে যায়। পরে সকালে লোকজন তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়।

ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী বুধবার রাত ১০টার দিকে তিন জনকে ধরে বেঁধে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে তিন জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। রাতে কিশোরীর মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, ‘ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তিন জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin