দলবদ্ধ ধর্ষণের মতো নৃশংস অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং দ্রুত বিচারের আওতায় আনা না হলে দেশের বিচারব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করে বাম গণতান্ত্রিক জোট। অবিলম্বে পাহাড়ে জাতিগত নিধন ও ধর্ষণ বন্ধ, পাড়ায় হামলা ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে তারা।
খাগড়াছড়িতে দলবদ্ধ ধর্ষণ এবং এর প্রতিবাদে পাহাড়িদের চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা ও দমন-পীড়নের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানিয়েছে বাম জোট।
আজ রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, খাগড়াছড়ির ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে হামলা ও গুলি চালানো, গ্রেপ্তার ও হয়রানি গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার হরণের ঘৃণ্য উদাহরণ। পাহাড়ি-বাঙালি জনগণের মধ্যে সংঘর্ষ বাধানোর ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে। এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ শান্তি ও ন্যায়বিচার চায়। বাম জোট মনে করে, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ দমন এবং অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করার পরিবর্তে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্বহীনতা ও অপরাধপ্রবণতাকে উৎসাহিত করছে।
বিবৃতিদাতারা হলেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক রুহিন হোসেন (প্রিন্স), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি সাজ্জাদ জহির, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ কাফি, বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ, বাসদের (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আবদুল আলী।