বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নিষ্প্রাণ পারফরম্যান্সের পরও ইসরায়েলকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ইতালি। তাতে ২০২৬ বিশ্বকাপের সরাসরি খেলার ক্ষীণ আশা টিকিয়ে রেখেছে আজ্জুরিরা। অপরদিকে এই পরাজয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার আশা শেষ হয়ে গেছে ইসরায়েলের।
নভেম্বর মাসে গ্রুপ সেরা নরওয়ের বিপক্ষে লড়াইয়ের আগে ইতালির নৈপুণ্য খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। মাতেও রেতেগুই করেছেন জোড়া গোল। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে পেনাল্টি থেকে আসে প্রথম গোল। দ্বিতীয়টি আসে ৭৪ মিনিটে দারুণ এক বাঁকানো শটে। ইনজুরি টাইমে জিয়ানলুকা মানচিনির হেডে আসে তৃতীয়টি।
ইতালির পরবর্তী ম্যাচ মলদোভার বিপক্ষে, এরপর ১৬ নভেম্বর মিলানে মুখোমুখি হবে নরওয়ের। নরওয়ের বিশাল গোল ব্যবধানের কারণে ইতালির আশা টিকে থাকতে হলে এস্তোনিয়াকে নরওয়ের মাঠ থেকে পয়েন্ট কেড়ে নিতে হবে।
ইউদিনে ম্যাচের প্রথমার্ধেই এগিয়ে যেতে পারতো ইসরায়েল। দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে তাই বারিবো বল বাড়ান মানোর সলোমনের কাছে। কিন্তু জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা অবিশ্বাস্য সেভে দলকে রক্ষা করেছেন।
২৫ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়ামে বিক্রি হয়েছিল ১০ হাজারেরও কম টিকিট। গ্যালারিতে দর্শকও ছিল তুলনামূলকভাবে কম। গত মাসেই ম্যাচটি আয়োজন নিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা। যুদ্ধের কারণে ইসরায়েলকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা (উয়েফা) বিবেচনা করেছিল। এমনকি উদিনের মেয়র আলবের্তো ফেলিচে দে তোনি ম্যাচটি স্থগিতের আহ্বানও জানিয়েছিলেন।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68ef55aaa944f" ) ); এদিকে, বিশ্বকাপের মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। লাটভিয়াকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে তারা।
থমাস টুখেলের দল এই ম্যাচের আগেই জানতো, তিন পয়েন্ট পেলেই মূল পর্ব নিশ্চিত হবে তাদের। জোড়া গোল করেছেন হ্যারি কেইন। তাছাড়া স্কোর করেছেন অ্যান্থনি গর্ডন ও এবেরেচি এজে। একটি ছিল প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোল।
‘কে’ গ্রুপে ৬ ম্যাচের সবগুলোই জিতেছে ইংল্যান্ড। কোনও গোলও হজম করেনি।