সংক্ষিপ্ত স্কোর: আফগানিস্তান ৩.২ ওভারে ২৪/১ (তারাখিল ০*, অটল ৩*; ইব্রাহিম ৭, গুরবাজ ১২)
শরিফুলের আঘাতের পরের ওভারে আঘাত হানেন নাসুম। তার বলে ১২ রানে বিদায় নেন বিপজ্জনক গুরবাজ। তিনি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন। নাসুমের প্রথম বলে মেরে খেলতে গিয়ে শামীমের তালুবন্দি হন তিনি।
শরিফুলের আঘাতে ফিরলেন ইব্রাহিম
প্রথম দুই ওভারে ২০ রান তুলে ফেলেন আফগান দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। তৃতীয় ওভারে এসে ইব্রাহিমকে ক্যাচ আউটে ফিরিয়েছেন শরিফুল। তার শর্ট লেংথের বলে মেরে খেলতে গিয়ে ৭ রানে কাটা পড়েন ইব্রাহিম। তার ৬ বলের ইনিংসে ছিল ১টি চার।
শেষ টি-টোয়েন্টিতেও বোলিংয়ে বাংলাদেশ, নেই মোস্তাফিজ
শারজায় এক ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্য নিয়ে তারা আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবারও টস জিতে বোলিং নিয়েছে।
বাংলাদেশ সিরিজ জেতায় আফগানদের টানা জয়ের রেকর্ডে ছেদ পড়েছে। ২০১৫ সালের পর মরুর বুকে প্রথমবার দ্বিপক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার দেখেছে রশিদ খানরা। তার আগে জিতেছে টানা ৯টি সিরিজ।
একাদশে কারা
বাংলাদেশ একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে। একাদশে নেই মোস্তাফিজুর রহমান। তার জায়গায় এসেছেন তানজিম হাসান সাকিব। আফগানদের দলেও পরিবর্তন একটি। নূর আহমেদ খেলছেন না, তার জায়গায় অভিষেক হচ্ছে বশির আহমেদের।
বাংলাদেশ একাদশ: জাকের আলী (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, সাইফ হাসান, নুরুল হাসান, শামীম হোসেন, সাইফউদ্দিন, তানজিম হাসান সাকিব, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম।
আফগানিস্তান একাদশ: রহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকুল্লাহ অটল, দারউইশ রাসুলি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, রশিদ খান (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নবী, ওয়াফিউল্লাহ তারাখিল, মুজিব উর রহমান, আব্দুল্লাহ আহমদজাই ও বশির আহমেদ।