চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ভুটানের ট্রানজিটের চালানটি খালাস হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে চালানটি খালাসের পর বর্তমানে সেটি সড়কপথে বুড়িমারী স্থলবন্দরের পথে রয়েছে। সেখান থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দরের মাধ্যমে সেদেশের শিলিগুড়ি হয়ে চালানটি ভুটানে নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানিয়েছে, শুল্কায়নসহ বিভিন্ন ফি পরিশোধ শেষে বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) থেকে ভুটানের ট্রানজিট চালানের কনটেইনার বহনকারী টেইলার বুড়িমারীর উদ্দেশে রওনা দেয়।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের ডেপুটি কমিশনার এইচএম কবির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভুটানের ট্রানজিটের চালান থেকে শুল্কায়ন ও ফি আদায়ের পর বুধবার রাতেই খালাস করা হয়। বিশেষ এস্কট সুবিধাসহ কনটেইনার বহনকারী গাড়িটি যাত্রা শুরু করেছে।’
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর ট্রানজিট সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। আমাদের পর্যাপ্ত ইয়ার্ড, বার্থ, টার্মিনাল রয়েছে। আরও নতুন নতুন টার্মিনাল, বে-টার্মিনাল হচ্ছে। কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বেড়েছে। ভুটানের ট্রানজিট পণ্য সুন্দরভাবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ডেলিভারি হয়েছে।’
বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে সই হওয়া ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য মুভমেন্ট অব ট্রাফিক-ইন ট্রানজিট’ চুক্তি ও প্রটোকলের আওতায় পরীক্ষামূলক চালানটি নেওয়া হচ্ছে। ২০২৩ সালের ২২ মার্চ এই চুক্তি ও প্রটোকল সই হয়েছিল। ভুটান স্থলবেষ্টিত হওয়ায় দেশটিতে সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে বাংলাদেশের মাধ্যমে পণ্য নেওয়ার এই উদ্যোগ। এর আগে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ভারতের ট্রানজিটের পরীক্ষামূলক তিনটি চালান খালাস হয়েছিল।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ভুটানের চালানটি আনা হয়েছে থাইল্যান্ড থেকে। ৬ হাজার ৫০০ কেজির এই চালানে রয়েছে শ্যাম্পু, শুকনো পাম ফল, আইস টি, চকলেট ও জুস। চালানটির রফতানিকারক থাইল্যান্ডের অ্যাবিট ট্রেডিং কোম্পানি। চালানটি আমদানি করেছে ভুটানের অ্যাবিট ট্রেডিং।