ভারতের বিহার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ ও ১১ নভেম্বর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা ও ফল ঘোষণা করা হবে ১৪ নভেম্বর। সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) এই ঘোষণা দিয়েছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।
রাজ্যের মোট ২৪৩টি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ভোট হবে ১২১টিতে। বাকি আসনগুলোতে দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ হবে। বিহার বিধানসভার বর্তমান মেয়াদ আগামী ২২ নভেম্বর শেষ হবে।
ছট্ পূজার পরপরই যাতে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়, এ জন্য রাজনৈতিক দলগুলো কমিশনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল; যাতে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে পারেন।
চলতি বছর বিহারে ২৫ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনব্যাপী ছট্ পূজা উদ্যাপিত হবে।
বিজার নির্বাচনে এবার মুখোমুখি হবে শাসক ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও জনতা দল (ইউনাইটেড)-নেতৃত্বাধীন জোট এবং কংগ্রেস ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)-নেতৃত্বাধীন মহাগঠবন্ধন।
২০২০ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৭৪ আসন ও নীতীশ কুমারের ইউনাইটেড ৪৩ আসন পেয়েছিল। অপরদিকে মহাগঠবন্ধন (আরজেডি, কংগ্রেস ও বাম দলগুলোর জোট) পেয়েছিল ১১০ আসন। এর মধ্যে আরজেডি পেয়েছিল ৭৫টি, কংগ্রেস ১৯টি ও বাম দলগুলো ১৬টি আসন।
প্রশান্ত কিশোর—যিনি আগে মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নির্বাচনি কৌশল নির্ধারণ করে বড় জয় এনে দিয়েছিলেন—এইবার নিজের দল জন সুরাজ নিয়ে সরাসরি ভোটযুদ্ধে নামছেন। তাঁর দল রাজ্যের সব ২৪৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
২০২৫ সালের বিহার নির্বাচন পরবর্তী দুই বছরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের সূচনা করবে। ২০২৬ সালে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু, এবং ২০২৭ সালে পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশসহ আরও কয়েকটি রাজ্যে ভোট হবে। এটি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের দীর্ঘ প্রস্তুতির সূচনা নির্দেশ করছে।