আদালত এলাকার নিরাপত্তা চেয়ে ডিএমপি কমিশনারকে চিঠি

আদালত এলাকার নিরাপত্তা চেয়ে ডিএমপি কমিশনারকে চিঠি

ঢাকার নিম্ন আদালত প্রাঙ্গণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।  মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের পক্ষ থেকে এই চিঠি পাঠানো হয়। সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে আদালত -সংশ্লিষ্ট এলাকা ন্যাশনাল মেডিক্যালের সামনে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ তারিক সাইদ মামুনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি একটি হত্যা মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন। শুনানি শেষে যাওয়ার পথেই দুই অস্ত্রধারী তাকে গুলি করে পালিয়ে যান। চিঠিতে একথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেসির অধীনে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেসিতে ৩৭টি আদালত বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই আদালতগুলোতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলা তথা হত্যা, অপহরণ, মানবপাচার, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা, ধর্ষণ মামলা, সাইবার ক্রাইম, সন্ত্রাস দমন আইনের মামলা, রাজনৈতিক মামলাসহ বিভিন্ন ধরনের মামলা গ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ঢাকা মহানগরীর ৫০টি থানার বিভিন্ন ধরনের মামলা পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্যান্য আদালতের বিচারকরা দৈনন্দিন বিচার কার্যক্রম সম্পাদনে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিচারকরা এজলাসে বিচারকার্য সম্পন্ন পূর্বক খাস কামরায় বিভিন্ন মামলার আদেশ ও রায় লেখার কাজ করে থাকেন। এর ফলে তাদেরকে বাসায় ফিরতে প্রতিদিন প্রায় সন্ধ্যা হয়ে থাকে। আদালত ভবন এলাকা ও প্রাঙ্গণের রাস্তায় বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ দোকান, যানবাহন যত্রতত্রভাবে পরিচালনা করা হয়। এটি আদালত সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১০ নভেম্বর ঢাকার আদালত পাড়ায় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে জনৈক মামুন নামে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি আদালতে একজন বিচারপ্রার্থী হিসেবে সংশ্লিষ্ট একটি আদালতে হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় কোর্ট আঙ্গিনার পাশে তাকে হত্যা করা হয়। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, আদালত প্রাঙ্গণ এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই নাজুক। ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিদিন হাজার হাজার বিচারপ্রার্থী জনগণ, আইনজীবী ও আইনজীবীর সহকারী, বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য, প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ অসংখ্য মানুষের সমাগম ঘটে।

এই অবস্থায় বর্তমান পরিস্থিত এবং নাজুক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিচারকরা, আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, আইনজীবী, বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য, সাংবাদিক ও সর্বোপরি হাজার হাজার বিচারপ্রার্থী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

Comments

0 total

Be the first to comment.

জুলাইয়ের মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলে চাঁদাবাজি, ৩ সমন্বয়ক কারাগারে BanglaTribune | অন্যান্য

জুলাইয়ের মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলে চাঁদাবাজি, ৩ সমন্বয়ক কারাগারে

জুলাই আন্দোলনের মামলা থেকে অব্যাহতির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং সাড়ে পাঁ...

Sep 12, 2025

More from this User

View all posts by admin