ইয়ারবাড পরিষ্কার করার ৫টি কার্যকর উপায়

ইয়ারবাড পরিষ্কার করার ৫টি কার্যকর উপায়

ইয়ারবাড এখন এক অপরিহার্য সঙ্গী। গন্তব্যে যাওয়ার সময় পথে গান শোনা, জিমে ব্যায়ামের সময়, দীর্ঘ অনলাইন সভা কিংবা শুয়ে শুয়ে প্রিয় সিরিজ দেখার মুহূর্ত—সবখানেই ইয়ারবাড ব্যবহার করা হয়। তবে নিয়মিত ব্যবহারের কারণে খুব দ্রুতই এতে ঘাম, কানের ময়লা, ধুলা ও তেল জমে যায়। ধুলাময়লা জমার কারণে শব্দের মান কমে যায়, ব্যাটারির কার্যক্ষমতায় প্রভাব ফেলে এবং পরিষ্কার না করলে কানে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ায়। ইয়ারবাড নিয়মিত পরিষ্কার করলে শব্দের মান ঠিক থাকে, ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়ে এবং কানের স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত থাকে। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার ইয়ারবাড পরিষ্কার করা উচিত।

ইয়ারবাড পরিষ্কার করতে আলাদা কোনো দামি কিটের প্রয়োজন নেই। ঘরে থাকা সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়েই খুব সহজে ইয়ারবাডকে নতুনের মতো করে ফেলা যায়। সঠিকভাবে যত্ন নিলে ইয়ারবাড দীর্ঘদিন ভালো থাকে, শব্দও স্পষ্ট শোনা যায়। ইয়ারবাড পরিষ্কার করার সবচেয়ে কার্যকর পাঁচটি উপায় দেখে নেওয়া যাক—

১. সিলিকন বা ফোম টিপ ধোয়া

যেসব ইয়ারবাডে আলাদা টিপ থাকে, সেগুলো আস্তে খুলে নিতে হবে। গরম পানিতে অল্প সাবান মিশিয়ে টিপগুলো ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে জমে থাকা ময়লা সহজে ছাড়বে। এরপর আঙুল বা কটন বাড দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে ভালোভাবে ধুয়ে নরম কাপড় দিয়ে শুকাতে হবে। ফোম টিপের ক্ষেত্রে পানিতে বেশি সময় ভিজিয়ে রাখা যাবে না। কারণ, এগুলো সহজেই পানি শুষে নেয়।

২. মেশ স্ক্রিন থেকে ময়লা সরানো

ইয়ারবাডের শব্দ কম শোনার অন্যতম কারণ হলো মেশ স্ক্রিনে ময়লা জমে থাকা। ইয়ারবাড উল্টো করে ধরে নরম ব্রাশ দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। শক্ত ময়লা থাকলে কটন বাডে সামান্য পরিষ্কারক লাগিয়ে পরিষ্কার করা যেতে পারে। তবে চাপ দিয়ে ঘষলে ময়লা ভেতরে ঢুকে যেতে পারে, যা ক্ষতির কারণ হতে পারে।

৩. ইয়ারবাডের বাইরের খোলস পরিষ্কার করা

ইয়ারবাডের বাইরের অংশে ঘাম, ত্বকের তেল কিংবা পকেটের ধুলা জমে থাকে। এগুলো পরিষ্কার করতে মাইক্রোফাইবার কাপড় সবচেয়ে কার্যকর। জীবাণুমুক্ত করতে চাইলে কাপড় বা কটন বাডে অল্প পরিষ্কারক ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, ভেতরে যেন কোনো তরল প্রবেশ না করে।

৪. চার্জিং কেস পরিষ্কার করা

ইয়ারবাডের চার্জিং কেস নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ভেতরে ধুলাময়লা জমে যেতে পারে। প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে ভেতর ও বাইরের অংশ মুছে নিতে হবে। চার্জিং পিন বা কোনাগুলো পরিষ্কার করতে কটন বাড ব্যবহার করা যেতে পারে। শক্ত ময়লা থাকলে সামান্য পরিষ্কারক ব্যবহার করা যায়। তবে কেস ভালোভাবে শুকানোর পরই ইয়ারবাড ভেতরে রাখতে হবে।

৫. পাউচ বা কভার ধোয়া

ইয়ারবাডের সঙ্গে থাকা কাপড়ের পাউচ বা কভারও নিয়মিত ধোয়া দরকার। গরম পানিতে সামান্য সাবান মিশিয়ে কয়েক মিনিট ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর বাতাসে শুকাতে দিলে পাউচ পরিষ্কার থাকবে এবং ধুলাময়লা সহজে জমবে না।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin