ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোলে ভিয়ারিয়ালকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষে উঠেছে রিয়াল মাদ্রিদ। একটি গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পেও।
এই জয়ে চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার চেয়ে দুই পয়েন্টে এগিয়ে গেছে ‘লস ব্লাঙ্কোস’। তাছাড়া গত সপ্তাহের ডার্বি পরাজয়ের পর জয়ের ধারায় ফিরেছে তারা।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কাইরাতকে হারিয়ে দীর্ঘ সফর শেষে দেশে ফিরে লিগের লড়াইয়ে মনোযোগ দেয় জাবি আলোনসোর দল। গত সপ্তাহে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ৫-২ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ায় এই ম্যাচে প্রমাণ করার অনেক কিছুই ছিল তাদের সামনে। বিশেষ করে শক্তিশালী ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে, যারা বর্তমানে তৃতীয় স্থানে।
ইনজুরিতে থাকা দানি কারভাহাল ও ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ডের অনুপস্থিতিতে রাইট ব্যাক হিসেবে ফেরেডিকো ভালভার্দেকে দলে ফেরান আলোনসো।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ধীর গতির প্রথমার্ধে রিয়াল মাদ্রিদই বল দখলে ও সুযোগ তৈরিতে এগিয়ে ছিল। টিন এজ ফরোয়ার্ড ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো গোল পেতে পারতেন, কিন্তু এমবাপ্পের পাস থেকে তার শট ব্লক করেন ভিয়ারিয়ালের রেনাতো ভেইগা।
অন্যদিকে, ভিয়ারিয়ালের ফরোয়ার্ড তানি ওলুওয়াসেয়ি মাদ্রিদের ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু থিবো কুর্তোয়া দারুণ এক সেভে রক্ষা করেন দলকে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভিনিসিয়ুসের গোলে রিয়াল এগিয়ে যায়। তার নেওয়া শটটি সান্তি কোমেসানার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলরক্ষক আরনাউ তেনাসকে পরাস্ত করে জড়ায় জালে।
মাদ্রিদ তাদের ব্যবধান বাড়ায় ৬৯ মিনিটে। ভিনিসিয়ুসকে পেনাল্টি এরিয়ায় ফেলে দেন রাফা মারিন। তার পর স্পট কিক থেকে স্কোর ২-০ করেন এই ব্রাজিলিয়ান।
৭৩ মিনিটে মিকাউতাদজে ভিয়ারিয়ালের হয়ে একটি গোল শোধ দিলেও ৮১ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পে দ্রুত স্কোর লাইন ৩-১ করে দেন। ৭৭ মিনিটে ভিয়ারিয়াল আরও বিপদে পড়ে সান্তিয়াগো মাওরিনো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে। তার পর উদ্বেগ হয়ে আসে কিলিয়ান এমবাপ্পের চোট! শেষ দিকে গোড়ালির ইনজুরিতে মাঠ থেকে উঠে যেতে হয় তাকে।