ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা নতুন একটি শর্ট-ফর্ম ভিডিও ফিচার চালু করেছে, যার নাম ‘ভাইবস’। এটি মূলত এআই-জেনারেটেড ভিডিও ফিড, যেখানে ব্যবহারকারীরা চাইলে নতুন ভিডিও তৈরি করতে পারবেন বা বিদ্যমান ভিডিও রিমিক্স করতে পারবেন।
প্রাথমিকভাবে ভাইবস পাওয়া যাবে মেটা এআই অ্যাপে এবং মেটাডটএআই ওয়েবসাইটে। ব্যবহারকারীরা চাইলে এসব ভিডিও শুধু ভাইবস ফিডেই নয়, বরং ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজ/রিলসেও শেয়ার করতে পারবেন।
ভাইবস কীভাবে কাজ করবে
ব্যবহারকারীরা কোনও ভিডিও বেছে নিয়ে তাতে নতুন ভিজ্যুয়াল, স্টাইল বা মিউজিক যোগ করতে পারবেন। ভিডিওগুলো সরাসরি ফিডে পোস্ট করা যাবে, আবার আলাদা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মেও শেয়ার করা যাবে।
মেটা জানিয়েছে, তারা প্রাথমিকভাবে মিডজার্নি ও ব্ল্যাক ফরেস্ট ল্যাবস-এর সঙ্গে পার্টনার করেছে, পাশাপাশি নিজেদের এআই মডেলও উন্নত করছে।
ব্যবহারকারীর প্রতিক্রিয়া
ঘোষণার পর থেকেই অনেকে সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করেছেন—তারা মনে করছেন এসব এআই-তৈরি ভিডিও মানহীন ও অপ্রয়োজনীয়।
বিতর্ক ও চ্যালেঞ্জ
মজার বিষয় হলো, মেটা এর আগে বলেছিল তারা ‘অথেনটিক স্টোরিটেলিং’ বা আসল কনটেন্টকে গুরুত্ব দিতে চায়। কিন্তু নতুন এআই ভিডিও ফিড চালু করায় অনেকেই প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। অন্যদিকে ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এখন ‘আনঅরিজিনাল কনটেন্ট’ বা এআই-নির্ভর নিম্নমানের কনটেন্টের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি করছে। ফলে ভাইবস ফিড আসলে ব্যবহারকারীদের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, সেটি নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।
বলা যায়, মেটার নতুন ফিচার ভাইবস হয়তো এআই-জেনারেটেড কনটেন্টকে আরও জনপ্রিয় করবে, তবে সমালোচনা ও বিতর্কের কারণে এর ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত।
তথ্যসূত্র: টেকক্রাঞ্চ