বৃষ্টিবিবর আকাশ তুমি, কোনো সংকল্পে;গোমতী নদীর তীরে, জেগে জেগে দীর্ঘকাল ধরে ভাবছো তুমি কোনো প্রহরে এসেছিলে নেমে শ্রাবণ-ধারায়।তুলনা করে ভিজে উঠা জীবন!ফুটে উঠেছিলে সবুজ-সোনালী ধানে।সবুজ পাতারা দোল দিয়ে, চলে যায় আবারো। ঘন নীল দিকচক্রে, যেখানে বসন্ত নামে। সাদা মেঘের চাদরে;ঘন ঘন মেঘে ডেকে উঠা শ্বাসে।চলে যাওয়া কোনো পথ ধরে,আবার ফিরে এসেছো;নতুন কোনো সম্ভাবনার ডাক হয়ে।কখনো কোনো সুপ্রাচীন ছায়া!রাত ডেকে আসে ভোরের পাখি হয়ে।মিশে গেছে যার অলীক কল্পনার বাসস্থান!পুরোনো দিনের স্মৃতি, পুরোনো কোনো কথা—গোপনে চিরকাল থেকে গেছে নতুন কোনো গল্পে।মেয়েটিঅতীত হতে চলে আসা মেয়েটি;অস্পষ্ট কুয়াশায় ঢুকে যাচ্ছে অরণ্যে।নিউটন তখনো আলোছায়ায়,আপেল গাছের তলায়;পোহাচ্ছে আয়ুখেকো সময়।পৃথিবী একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করেআবার চাঁদ পৃথিবীকে।এভাবে আলোকবর্ষ কেটে যায়;পরিবর্তিত তরঙ্গ ভেবে চলে যাচ্ছে,একটি আপেল; ক্রমশ কামড়ের দিকে।জ্যোতির্বিদ্যায় শিখে নিলাম শেষ জ্ঞান।পৃথিবী তখন বজ্রপাতের মতো উদ্দাম!গোধূলি লালজবার মতো প্রমত্ত;মেয়েটি সম্ভাবনার মতো অসীম অনন্ত।