সৎ শশুড়ির সঙ্গে পর্দার হুকুম

সৎ শশুড়ির সঙ্গে পর্দার হুকুম

স্ত্রীর সৎ মা বা সৎ শাশুড়ি পুরুষের মাহরাম নয়। অন্যান্য গায়রে মাহরাম নারীর মত সৎ শাশুড়ির সঙ্গেও পর্দা করতে হবে।

কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, মুমিন নারীদের বলো, যেন তারা তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে, যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে বক্ষদেশ আবৃত করে রাখে। তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, নিজের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে, আপন নারীরা, তাদের ডান হাত যার মালিক হয়েছে, অধীনস্থ যৌনকামনামুক্ত পুরুষ অথবা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া কারও কাছে নিজদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন নিজদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য সজোরে পদচারণা না করে। হে মুমিনগণ, তোমরা সকলেই আল্লাহর নিকট তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সুরা নুর: ৩০, ৩১)

এ আয়াত থেকে বোঝা যায় স্বামীর পিতৃপুরুষা অর্থাৎ স্বামীর বাবা, দাদা, পরদাদা স্ত্রীর জন্য মাহরাম। শাশুড়ির বাবা অর্থাৎ দাদা শ্বশুরও স্ত্রীর জন্য মাহরাম। একইভাবে স্ত্রীর মা, নানি, ও পরনানি স্বামীর জন্য মাহরাম। শশুরের মা, দাদিও তার জন্য মাহরাম। এটা আপন মা, নানি, দাদির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সৎ মা, সৎ নানি বা সৎ দাদির ক্ষেত্রে নয়। 

তবে ইসলামে আকর্ষণ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই এমন বৃদ্ধা নারীদের ক্ষেত্রে পর্দার বিধান শিথিল হয়ে যায়। সৎ শাশুড়ি যদি সেরকম বৃদ্ধা হন, তার ক্ষেত্রেও পর্দার বিধান কিছুটা শিথিল হয়ে যাবে।

ওএফএফ

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin