সোজা নাকি ঝুঁকে মোটরসাইকেল চালানো—কোনটা উপকারী?

সোজা নাকি ঝুঁকে মোটরসাইকেল চালানো—কোনটা উপকারী?

কোথাও যেতে হলে মোটরসাইকেল ছাড়া অনেকেই বিকল্প কিছু ভাবেন না। হোক সেটা আধা ঘণ্টার পথ কিংবা তারও বেশি পথ। মুহূর্তেই বাইক নিয়ে বের হওয়া যায়। বাড়তি সুবিধাও আছে—এই যেমন পেছনে কাউকেও অনায়াসেই নিয়ে যাওয়া যায়। প্রয়োজন ছাড়াও আবার শখ থেকেও অনেকেই বাইক চালান।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয় এই মোটরসাইকেল। ছেলে-মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে এই বাহনটি। এখন প্রশ্ন থেকে যায়—বাইক চালানোর ক্ষেত্রে কি কোনো দিকনির্দেশনা মেনে চলা উচিত? গাড়ির মডেলের ভিন্নতায় কোন বাইকে একটু বেশি ঝুঁকে, আবার কোথাও সোজা বসে চালাতে হয়। পরিচিতজনদের কাছে কোনটি বেশি আরামদায়ক, আবার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো—এ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেন।

এ বিষয়ে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডা. মো. জিয়াউল হাসান বলেন, মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে কিছু সচেতনতা প্রয়োজন। অধিকাংশ মোটরসাইকেলে চালকরা অনেকটা সামনের দিকে ঝুঁকে চালান। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের পথের জন্য সমস্যা হয় না। কিন্তু এটি যদি টানা ২ থেকে ৩ ঘণ্টার পথ হয় তাহলে সমস্যা তৈরি হয়। যেমন—কোমরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কোমর হয়তো আগামী পাঁচ বছর ঠিক থাকবে, কিন্তু এরপর ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে কোমরে ব্যথা থেকে শুরু করে নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সেজন্য বাইক চালানোর ক্ষেত্রে বাইক বাছাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেই বাইকে বসে কোমর সোজা রেখে চালানো যায়, সেই ধরনের বাইকের প্রতি তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করতে হবে। এতে তাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকার হবে।

/এসআইএন

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin