শিশুশিক্ষার্থীদের যে ১০ কারণে কোডিং শেখা উচিত

শিশুশিক্ষার্থীদের যে ১০ কারণে কোডিং শেখা উচিত

ভবিষ্যতে একটি শিশুশিক্ষার্থী কোন পেশায় যাবে, সেটি ঠিক করার আগেই শিশুকে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই কোডিং বা প্রোগ্রামিং শেখানো প্রযুক্তির এই যুগে অনেকটাই অবশ্যকরণীয় বিষয়। এটি একটি শিশুকে নতুন একটি গাণিতিক ভাষা শেখায়, তাদের সৃষ্টিশীলতাকে উৎসাহিত করে, গণিতের ভিত্তি শক্ত করে, ভাবনাগুলোকে পরিকল্পিত উপায়ে সংগঠিত করতে শেখায়। এটি পরবর্তী সময়ে তাদের ‘একাডেমিক রাইটিং স্কিল’ বা লেখার দক্ষতা বাড়ায় এবং সব ধরনের সমস্যা সমাধানে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলে আত্মবিশ্বাসী হিসেবে।

এটি একটি অ্যাকটিভ লার্নিং বা কার্যকর শিক্ষণ, যেটির শুরু মা–বাবার হাতেই হতে পারে। এবং শিশুরা এতে আনন্দের সঙ্গে অনেক কঠিন বিষয় শিখে নিতে পারে, যা তাকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে একজন দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে পারে। ছোটবেলা থেকে কোডিং শেখার উপকারিতাও অনেক, যা একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যে ১০ কারণে ছোটবেলা থেকে কোডিং শেখা উচিত শিশুশিক্ষার্থীদের।

১. কোডিং শেখা শিশুদের জটিল সমস্যাকে ছোট ছোট অংশে ভেঙে সমাধান করতে শেখায়। এতে তারা ধাপে ধাপে, যুক্তিনির্ভরভাবে সমস্যা সমাধানের কৌশল রপ্ত করে।

২. কোডিং সৃজনশীলতার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এর মাধ্যমে শিশুরা নিজেদের গেম, অ্যানিমেশন ও অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারে।

৩. বিমূর্ত ধারণাগুলোকে দৃশ্যমান করা এবং বাস্তব জীবনের উদাহরণে প্রয়োগের মাধ্যমে কোডিং গণিত, লেখা বা অন্যান্য শিক্ষা ক্ষেত্রে পারদর্শিতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৪. কোনো প্রকল্পের ধারণা থেকে শুরু করে তা সফলভাবে তৈরি করা শিশুর মনে সাফল্যের অনুভূতি জাগায় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

৫. কোডিং এক ধরনের যোগাযোগের মাধ্যম। দলগত কোডিং প্রজেক্টের মাধ্যমে শিশুদের দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা ও যোগাযোগ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৬. কোডিং শেখার সময় নানা প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ওঠা এবং সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার মাধ্যমে শিশুরা ধৈর্যশীল হয়।

৭. কোডিং শেখা শিশুদের গঠনমূলকভাবে চিন্তা করতে শেখায়।

৮. অ্যালগরিদমভিত্তিক চিন্তাভাবনা তাদের বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা বোঝা ও প্রয়োগে সহায়ক হয়।

৯. ছোটবেলায় কোডিংয়ের সঙ্গে পরিচিতি শিশুদের উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তা হওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়। নিজেদের উদ্যোগ শুরু করার জন্য তারা প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করে।

১০. কোডিং শেখার মাধ্যমে শিশুরা প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে তা বোঝে। ফলে তারা শুধু প্রযুক্তির ভোক্তা নয়, বরং প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন কিছু সৃষ্টিতে যুক্ত হতে পারে।

Comments

0 total

Be the first to comment.

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি ইউনিটে ভর্তি: মাইগ্রেশন, বিষয় ও প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ প্রকাশ Prothomalo | ভর্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি ইউনিটে ভর্তি: মাইগ্রেশন, বিষয় ও প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ প্রকাশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রযুক্তি ইউনিটে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সব কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য...

Sep 16, 2025
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে ভর্তি, শিল্পবিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ Prothomalo | ভর্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে ভর্তি, শিল্পবিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগে মাস্টার অব প্রফেশনাল হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এমপিএই...

Sep 25, 2025

More from this User

View all posts by admin