শীতে বিশেষ যত্ন না নিলে আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ফেটে যায়, চুলকায় বা খসখসে অনুভূত হয়। তাই এই সময়ে ত্বকের একটু বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। শীত শুরুর সময় থেকে যত্ন না নিলে ভোগান্তি বাড়ে। শুরুর দিকে অনেকসময় বুঝা যায় না যে, ত্বক শুকিয়ে যাচ্ছে। চামড়ায় টান পড়লেও ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে ত্বক ফেটে গেলে সেটা স্বাভাবিক করতে বেগ পেতে হয়। নিচে কিছু কার্যকর ত্বকের যত্নের টিপস দেওয়া হলো, যা শীতের ফাটা বা শুষ্কতা এড়াতে সাহায্য করবে-
গোসলের বিষয়ে সতর্ক হোন
গোসল বা হাত মুখ ধোওয়ার জন্য গরম পানি নয়, হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন। খুব গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে দেয়।গোসলের সময় হালকা উষ্ণ পানি ব্যবহার করুন এবং বেশি সময় গোসল করবেন না। কড়া বা পারফিউমযুক্ত সাবান এসময় এড়িয়ে চলুন।শিশুদের জন্য বেবি সাবান বা ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার ভালো। দুধ ও মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারে মনোযোগী হোন
শীত শুরুর আগে থেকেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। গোসলের পরে ভেজা ত্বকে তেল বা লোশন লাগান, যেন ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা যায়। গ্লিসারিন, ভ্যাসলিন, কোকোনাট অয়েল বা অলিভ অয়েল খুব কার্যকর। রাতে ঘুমানোর আগে মুখে ও হাত-পায়ে এলোভেরা জেল লাগান। নারিকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বক মসৃণ রাখতে খুব উপকারী। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68f05d25294a6" ) ); প্রচুর পানি পান করুন
শীতে তৃষ্ণা কম লাগলেও ত্বক আর্দ্র রাখার জন্য পানি পান করা জরুরি। দিনে অন্তত ৬–৮ গ্লাস পানি পান করুন। তোয়ালে দিয়ে জোরে ঘষবেন না, আলতো করে মুছুন। স্ক্রাব বেশি ব্যবহার করবেন না, সপ্তাহে ১ বার যথেষ্ট।
পোশাকে শরীর ঢেকে রাখুন
এসময় বাইরে বের হলে মুখ, হাত ও পা ঢেকে রাখুন। উলের পোশাক সরাসরি গায়ে না পরে পাতলা কটনের জামা পরে নিন। ঠোঁটে নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করুন (ভ্যাসলিন/বাটার/গ্লিসারিন)। ফাটা গোড়ালিতে নারকেল তেল বা ভ্যাসলিন লাগিয়ে মোজা পরে ঘুমান। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68f05d25294d7" ) );