চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়াল মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে তাদের শতভাগ রেকর্ডের ইতি টেনে দিয়েছে লিভারপুল।
গোলের মূল কারিগর আর্জেন্টাইন ম্যাক অ্যালিস্টার। ৬১ মিনিটে তার দারুণ এক হেড থিবো কুর্তোয়ার একক প্রতিরোধ ভেঙে দেয়।
সেপ্টেম্বরের পর প্রথমবার টানা দুই ম্যাচের জয়ে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে লিভারপুল। মাদ্রিদের সঙ্গে এখন তাদের সমান ৯ পয়েন্ট। যারা এবারই প্রথম কোনও ম্যাচে গোলশূন্য থাকলো।
শনিবার অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে জয়টিকে অনেকে গুরুত্বপূর্ণ বললেও, এই ম্যাচে লিভারপুল প্রকৃত মানসিকতা ও পারফরম্যান্সের ছাপ রেখেছে।
এক বছর আগে অ্যানফিল্ডে ২-০ ব্যবধানে দুর্বল রিয়ালকে হারিয়েছিল তারা, কিন্তু এবার জাবি আলোনসোর দল ছিল প্রায় পূর্ণ শক্তিতে। তবু দাপট দেখিয়েছে লিভারপুল।
প্রথমার্ধে রিয়ালের ভরসা ছিলেন সেই চেনা কুর্তোয়া। ২০২২ সালের ফাইনালে যেমন একাই শেষ করেছিলেন লিভারপুলের স্বপ্ন। এবারও সোবোসলাইয়ের দুটি নিশ্চিত গোল ঠেকান তিনি।
রিয়ালের উল্লেখযোগ্য সুযোগ আসে জুড বেলিংহ্যামের প্রচেষ্টায়। কিন্তু তার শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক জিওর্জি মামারদাশভিলি। এমবাপ্পে একমাত্র সুযোগে বল পেয়েও সেটা পাঠান অনেক ওপরে।
শেষ দিকে এমবাপ্পে আর রদ্রিগোরা চেষ্টা করলেও গোল আসেনি। বরং বদলি কোডি গাকপোর শট ঠেকিয়ে রিয়ালকে বড় ব্যবধানে হার থেকে রক্ষা করেন কুর্তোয়া।
অপর দিকে অপ্রত্যাশিত হার দেখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। তাদের ২-১ গোলে হারিয়েছে দশ জনের বায়ার্ন মিউনিখ। প্রথমার্ধেই লুইস ডিয়াজের জোড়া গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যায় বায়ার্ন। তবে ৪৫+৭ মিনিটে লাল কার্ড দেখেও মাঠ ছাড়তে হয় তাকে! তার পর ৭৪ মিনিটে নেভেসের গোলে পিএসজি ব্যবধান কমালেও ম্যাচের ভাগ্য বদল করতে পারেনি ফরাসি জায়ান্টরা।
এই জয়ে বায়ার্ন ৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠেছে। আর্সেনালেরও সমান পয়েন্ট কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে বায়ার্ন। পিএসজি ৯ পয়েন্ট নিয়ে তিনে।