ঢাকার প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি এবং অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন ইউনিভার্সিটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক চুক্তি সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার কার্টিন ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই চুক্তি দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই কৌশলগত চুক্তির আওতায় যৌথ গবেষণা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা এবং বহুমাত্রিক জ্ঞান বিনিময়ে উভয় বিশ্ববিদ্যালয় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ব্যবসা ও সামাজিক বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যেখানে কার্টিনের খ্যাতনামা এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হবে। এ চুক্তির ফলে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে।
সমঝোতা স্মারকে সই করেন কার্টিন ইউনিভার্সিটির মালয়েশিয়া প্রেসিডেন্ট ও চিফ এক্সিকিউটিভ প্রফেসর ড. ভিনসেন্ট লি এবং প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল কবির।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন প্রফেসর ড. ট্যাং ফি ই, ডিন অফ লার্নিং অ্যান্ড টিচিং, কার্টিন এবং প্রফেসর ড. আদনান খান, ডিরেক্টর অফ আউটরিচ অ্যান্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি।
অনুষ্ঠানে কার্টিন ইউনিভার্সিটি থেকে উপস্থিত ছিলেন একাধিক একাডেমিক ব্যক্তিত্ব, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রফেসর ইঞ্জি. ড. স্টেফানি, ডিরেক্টর, সেন্টার ফর নিউ অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনার্জি রিসার্চ অ্যান্ড ভেঞ্চার এবং সহযোগী প্রফেসর ইঞ্জি. ড. লিম চিয়ে ইং, অ্যাসোসিয়েট ডিন (এক্সটার্নাল এনগেজমেন্ট)।
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মো. জাহিদ হাসান, উপ-পরিচালক এবং প্রধান, অ্যাডমিশন ও পাবলিক রিলেশনস।
অনুষ্ঠানে প্রফেসর ড. ভিনসেন্ট লি বলেন, ‘এই সমঝোতা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক গবেষণা ও শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
প্রফেসর ড. আনোয়ারুল কবীর তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা প্রথম দিন থেকেই কার্যকর সহযোগিতার মাধ্যমে যৌথ সাফল্যের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাব।’
প্রফেসর ড. আদনান খান, ডিরেক্টর অফ আউটরিচ অ্যান্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, বৃহত্তর ভিশনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বিশ্বমানের গবেষণা, আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, প্রেসিডেন্সি ভবিষ্যতে আরও শীর্ষস্থানীয় ইউনিভার্সিটির সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে।’
এই অংশীদারিত্ব প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি বিশ্বমানের শিক্ষা ও গ্লোবাল গ্র্যাজুয়েট প্রস্তুতির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।