প্লে-গ্রাউন্ড অ্যাক্টিভিটি কারিকুলাম চালু করেছে গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল

প্লে-গ্রাউন্ড অ্যাক্টিভিটি কারিকুলাম চালু করেছে গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল

 ক্যামব্রিজ স্কুলগুলোর মধ্যে দেশের প্রথম প্লে-গ্রাউন্ড অ্যাক্টিভিটি কারিকুলাম চালু করেছে উত্তরার গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। এই উদ্ভাবনী ও থিম-ভিত্তিক প্লেগ্রাউন্ডটি হাইপার প্লেগ্রাউন্ডস-এর সাথে অংশীদারিত্বে তৈরি হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) গ্লেনরিচ উত্তরা জুনিয়র স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্কুলের লিডারশিপ টিম, অভিভাবক ও প্রি-প্রাইমারি শিক্ষার্থীরা একসাথে নতুন ধাঁচের এ প্লেগ্রাউন্ডটি নিজেদের মত করে উপভোগ করেন।

গ্লেনরিচের ‘স্কুল অব লাইফ’ দর্শনের ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ‘স্কুল অব লাইফ’ -এর মূলমন্ত্রই হচ্ছে শুধুমাত্র প্রচলিত পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে, শিশুদের সামগ্রিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা, শারীরিক কার্যক্রম ও বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর সমানভাবে গুরুত্বারোপ করা।

এই উদ্যোগটি আয়ারল্যান্ডের আর্লি চাইল্ডহুড শিক্ষাক্রম থেকে অনুপ্রাণিত। এটি ফান্ডামেন্টাল মুভমেন্ট স্কিলস (এফএমএস) ও লাইফলং ইনভলভমেন্ট ইন স্পোর্টস অ্যান্ড ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি (এলআইএসপিএ) কাঠামো অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। কাঠামোগুলোর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষাজীবনের একদম শুরু থেকেই শিশুদের শারীরিকভাবে সক্রিয় করে তোলা, যেন সুষ্ঠুভাবে বেড়ে উঠতে পারে। স্কুল কর্তৃপক্ষের মতে, এই কার্যক্রমগুলো শুধুমাত্র শরীরচর্চার জন্য নয় বরং শিশুদের শারীরিক সমন্বয়, মানসিক সহনশীলতা এবং সামাজিক দক্ষতা গড়ে তুলতে এবং তাদেরকে বাস্তব জীবনের জন্য প্রস্তুত করতে ভূমিকা রাখে।

গ্লেনরিচ ও হাইপার প্লেগ্রাউন্ডস প্রতিবছর প্লেগ্রাউন্ডের থিম পরিবর্তন করবে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও কৌতূহলকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিবছর মাঠটি বিভিন্ন থিমে নতুন রূপে সাজানো হবে; যার মধ্যে থাকবে সমুদ্র, জঙ্গল, প্রাসাদ বা মহাকাশ। শিক্ষার্থীদের দক্ষতার উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য তাদের অগ্রগতি একটি মূল্যায়ন কাঠামোর মাধ্যমে মাপা হবে।

এ উদ্যোগ সম্পর্কে গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল উত্তরার জুনিয়র স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল সুমনা করিম বলেন, গ্লেনরিচে আমরা বিশ্বাস করি, শিশুদের সামগ্রিক বিকাশের জন্য শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই প্লেগ্রাউন্ড অ্যাক্টিভিটি কারিকুলামের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা আনন্দের মধ্য দিয়ে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক দিক দিয়ে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষকেরা কিছু ফিজিক্যাল মুভমেন্ট ভিত্তিক কার্যক্রম প্রদর্শন করেন এবং কীভাবে এসব কার্যক্রম শিশুদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়তা করে, তা ব্যাখ্যা করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে একসাথে মাঠের রাইড ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উপভোগ করে এবং ‘ফেস পেইন্টিং’-সহ আরও নানা আকর্ষণীয় কার্যক্রমে অংশ নেয়।

 

এমআইএইচ/জেএইচ

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin