আদালতের আদেশে নিবন্ধন পেয়েছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি। দলীয় প্রতীক হিসেবে পেয়েছে আনারস। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দলটিকে নিবন্ধন সনদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা সনদে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব (আরপিও) অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের গত ২৯ মের রায় ও আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান কার্যালয়: ৮৫/১ নয়াপল্টন মসজিদ গলি (তৃতীয় তলা), ঢাকা-১০০০ এ অবস্থিত বাংলাদেশ লেবার পার্টিকে রাজনৈতিক দল হিসাবে নিবন্ধন করেছে।
এ নিয়ে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা দাঁড়াল ৫২টি (আওয়ামী লীগসহ)। নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালু হয়। এ পর্যন্ত ৫৬টি দল ইসির নিবন্ধন পেলেও পরবর্তী সময়ে শর্ত পূরণ, শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থতা এবং আদালতের নির্দেশে ৫টি দলের নিবন্ধন বাতিল হয়।
দলগুলো হলো—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ফ্রিডম পার্টি, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন, পিডিপি ও জাগপা। সস্প্রতি আদালতের আদেশে জামায়াতে ইসলামী ও জাগপা নিবন্ধন ফিরে পেলেও ইসি কেবল জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দিয়েছে।
এসময় দলের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আমরা নিবন্ধন পেয়েছি। এই নিবন্ধন লেবার পার্টির জন্য নতুন ধারা সৃষ্টি করবে। আমরা দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী (বিএনপি) সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে ছিলাম। ২০১৮ সালে আমি নিজে পিরোজপুর-২ আসনে ধানের শীষ মার্কায় নির্বাচন করেছি। এবার আমাদের নিবন্ধন পেয়েছি, শীঘ্রই আমরা আমাদের প্রার্থী ঘোষণা করবো। লেবার পার্টি এখন বাংলাদেশে আরেকটি রাজনৈতিক নিবন্ধিত দল। আমাদের নিবন্ধন নাম্বার ৫৬, আর প্রতীক হচ্ছে আনারস।
এসময় পিআর পদ্ধতি নিয়ে তিনি বলেন, এখন আমাদের পিআর নিয়ে না ভেবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার। কয়েকটি রাজনৈতিক দল এখন পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চাচ্ছে। এটা মূলত নির্বাচনকে বানচালের একটি অপচেষ্টা। বাংলাদেশের নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করার একটি অপচেষ্টা মাত্র। যারা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন চায় না তারাই পিআর পদ্ধতি চায়।