পূঁজা উপলক্ষ্যে টানা ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন অনেকে। এর সাথে শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকাল থেকে বৃষ্টি। এই দুইয়ের প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বাজারগুলোতে। ক্রেতার তেমন আনাগোনা নেই। পণ্যের সরবরাহও অন্য দিনের তুলনায় বেশ কম। তবে, দামের উত্তাপ কমেনি।
এর আঁচ সবচেয়ে বেশি লেগেছে মাছের বাজারে। প্রায় সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
মধ্যরাত থেকে ইলিশ আহরণ, বাজারজাত বন্ধ থাকবে আগামী ২২দিন। শেষ দিনের ইলিশের বাজার আরেক দফা উঠেছে। নদীর এক কেজি আকারের ইলিশের দাম হাঁকা হচ্ছে ৩ হাজার টাকা। ৬শ’ থেকে ৭শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ কিনতে পকেট থেকে বেরিয়ে যাবে দেড় হাজার টাকা।
এদিকে, স্বস্তি নেই পোল্ট্রি বাজারেও। এখানে আছে বৈরী আবহাওয়ার অজুহাত। টানা কয়েদিনের বৃষ্টিতে খামার থেকে সরবরাহ কমেছে, তাই দাম বেড়েছে, এমন দাকি বিক্রেতাদের।
কেজিতে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। সবচেয়ে বেশি দামে বেড়েছ সোনালী মুরগির, কেজিতে ৩০ টাকা। এক কেজির জন্য গুণতে হবে ৩১০ টাকা। এছাড়া, ৬শ’ টাকা কেজির নিচে মিলছে দেশি মুরগি।
অপরিবর্তিত আছে গরু আর খাসির মাংসের বাজার। মানভেদে এক কেজি গরুর মাংসের জন্য দিতে হবে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা। আর খাসির মাংসের স্বাদ নিতে চাইলে গুণতে হবে ১১শ’ ৫০ টাকা।
এছাড়া, টানা বৃষ্টি ও দুর্গাপূজার ছুটিতে পরিবহন সংকটে সরবরাহ কমেছে সবজির। কাঁচামরিচ আর তাল বেগুনে তো হাত দেয়ার জো নেই।
আড়াই মাস ধরে ২০০ টাকার কম বা সামান্য বেশি দাম থাকা কাঁচা মরিচের দাম এখন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। ১৫০ টাকার গোল বেগুন এখন ২২০ টাকা। আর বেশিরভাগ সবজির দাম বেড়ে ১০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে।
ব্যবসায়ীদের যুক্তি, বৈরী আবহাওয়ার কারণে আগাম শীতকালীন সবজি কিছু নষ্ট হয়েছে। তবে বাজার স্বাভাবিক হবে এক মাসের মধ্যে।
/এমএন