বেশিরভাগ তারকাই ক্যামেরার সামনে বসে পেছন ফিরে তাকান, তবে সচেতনভাবে এড়িয়ে যান অনেক গল্প। কিন্তু এখানেও খানিক ব্যতিক্রম আরিফিন শুভ। তিনি অকপট জানান দিলেন, মিডিয়ায় তার শুরুর দুরবস্থার কথা। যেমনটা তিনি আগেও বলেছেন, প্রায় খালি পকেটে ঢাকার আশায় বাড়ি ছাড়ার গল্পে।
তবে এবার যেটা বলেছেন, সেটি একেবারে নতুন গল্প। গল্প নয়, সত্যি। শুভ কথায় কথায় একটি অনুষ্ঠানে বলছিলেন, মিডিয়ায় তার স্ট্রাগলের গল্প। জানান দেন, একদিনে তিনি নায়ক হননি। এর পেছনে রয়েছে লম্বা একটা জার্নি।
মজার ছলেই জানান, তিনি নাকি শুটিং প্রডাকশনের ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা থেকে আজ নায়ক হয়েছেন। শুভর শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও তারও আগে তিনি ছিলেন প্রডাকশনে অ্যাসিস্ট্যান্ট। অর্থাৎ বিজ্ঞাপন বানানোর শুটিং ইউনিটে পরিচালকের সহকারী হিসেবে কাজ করা। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw691094fb4777a" ) ); সেসব স্মৃতি থেকে আরিফিন শুভ বলেন, ‘এক সময় আমি প্রডাকশনে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করতাম। মানে শুটিংয়ে ডিরেক্টর-শিল্পীদের আদেশ পালন করতাম। যেমন এই এদিকে আয়, এই পানি দে, এই আর্টিস্টের স্যান্ডেল মোছ—এসব অর্ডার পালন করতাম।’
এরপর একটি শুটিংয়ের স্মৃতি টেনে বলেন, ‘একটা বিজ্ঞাপনের কাজ ছিল। সেই বিজ্ঞাপনে ডন ছিলেন মডেল আর আমি ছিলাম ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা। কিন্তু আমার স্বপ্নটা বড় ছিল—তাই সেখান থেকে উঠে আজ আমি নায়ক হয়েছি।’ jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw691094fb477ad" ) ); মডেলিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা আরিফিন শুভ নাটক দিয়ে জনপ্রিয়তা পান। ২০১৩ সালে ‘ভালোবাসা জিন্দাবাদ’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। এরপর অনেক ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করেন। শেষ আলোচনায় আসেন ‘মুজিব-একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করে। ছবিটি নির্মাণ করেছেন উপমহাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য নির্মাতা ভারতের শ্যাম বেনেগাল। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw691094fb477d7" ) );