ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনাবিদদের অংশ নেয়ার সুযোগ সীমিত

ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনাবিদদের অংশ নেয়ার সুযোগ সীমিত

ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য যেসব পরিকল্পনা নেওয়া হয়, তাতে পরিকল্পনাবিদদের অংশগ্রহণের সুযোগ খুবই সীমিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান।

তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে সংস্কার কমিশন গঠন করলেও পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট কাউকে বা পরিকল্পনাবিদদের নিয়ে কোনো কমিশন গঠন করা হয়নি। তিনি দেশের টেকসই উন্নয়ন ও সমন্বিত পরিকল্পনা নিশ্চিত করতে পরিকল্পনাবিদদের জন্য যথাযথ কর্মপরিবেশ ও সুযোগ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিআইপি কার্যালয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ট্রাফিক্স-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মো. আশরাফুল আলম রতন, সিগমাইন্ডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আবু আনাস শুভম এবং ট্রান্সপোর্ট প্রফেশনালস অ্যালায়েন্স (টিপিএ)-এর প্রধান নির্বাহী ড. মোহাম্মদ নূরুল হাসান।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এস এম সোহেল মাহমুদ বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নতির পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুশৃঙ্খল আচরণ অপরিহার্য। তিনি বলেন, ঢাকায় নতুন যানবাহন নিবন্ধন অব্যাহত থাকলে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যকরভাবে সমন্বয় করা কঠিন হবে। এছাড়াও, তিনি ঢাকার মতো দেশের অন্যান্য শহরেও কার্যকর ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু ও রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারের প্রধান অতিথি ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)-এর নির্বাহী পরিচালক নিলিমা আখতার বলেন, সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারলে যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। তিনি আরও বলেন, কার্যকরী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব স্পষ্টীকরণ এবং এর অর্থায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

এমএমএ/কেএইচকে

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin