ভূমিকম্প পরবর্তী বিভিন্ন আবাসিক হল ও ভবনের কারিগরি নিরীক্ষণ, মূল্যায়ন ও মনিটরিংয়ের জন্য বুয়েটের বিশেষজ্ঞ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত কারিগরি সাব-কমিটির পরিদর্শন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যেই ছয়টি হল পরিদর্শনের কাজ শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবা (২৭ নভেম্বর) আরও ছয়টি হল পরিদর্শন করা হবে। হলগুলো হলো– হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, শামসুন নাহার হল, ড. কুদরাত-ই-খুদা হোস্টেল, শহীদ অ্যাথলেট সুলতানা কামাল হোস্টেল, নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী ছাত্রীনিবাস এবং কবি সুফিয়া কামাল হল। বুয়েটের বিশেষজ্ঞ সদস্যের উপস্থিতি সাপেক্ষে পরিদর্শনের সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে।
উল্লেখ্য, ভূমিকম্প পরবর্তী বিভিন্ন আবাসিক হল ও ভবনের কারিগরি নিরীক্ষণ, মূল্যায়ন ও মনিটরিংয়ের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে সভাপতি করে সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেশন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেশন কমিটির অধীনে চারটি সাব-কমিটিও গঠন করা হয়েছে। বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত এসব সাব-কমিটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে আবাসিক হল ও ভবনসমূহ পরিদর্শন, কারিগরি নিরীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম সমাপ্ত করবে। পরিদর্শন শেষে কারিগরি মূল্যায়ন প্রতিবেদন সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকৌশল দফতর ও সংশ্লিষ্ট হলে সংরক্ষিত থাকবে। কারিগরি মূল্যায়নে ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় চিহ্নিত হলে শিক্ষার্থীদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সারা দেশে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনূভূত হয়। এ ঘটনায় ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় মারা গেছেন ১০ জন। আহত হয়েছেন কয়েকশ মানুষ। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদী।